আমি তোমাদরেই লোক ১

বাপরে! আমাকে আবার কে খুঁজতে এলো! এ বাসায় দীর্ঘ এক বছর হয়ে গেল কোনদিন তো কেউ ডাকলো না। বাসায় উঠবার সময় একটি চটের বস্তায় ভরে নিয়ে এসেছিলো। অনাদরে ছুড়ে ফেলে রেখেছিলো কিচেন কেবিনেটে। তারপর মাঝে মধ্যে কেবিনেটের পাল্লা খুলতো বটে, কিন্তু আমার আর বের হওয়া হতো না। সেই থেকে বসে থেকে থেকে শরীরে জং ধরে গেছে। আহা কতদিন বুক পেতে রূপালী মাছগুলোকে আলিঙ্গন করি না।

আমি যার হাত থেকে এসেছি এটা তার ছেলের বাসা। আমাকে কি যে যত্ন করতেন মানুষটা! মনে আছে কি সুন্দর তাঁর হাত দুটি। আঙ্গুলগুলি কাঠটগর ফুলের পাপড়ির মতন -কোমল কিন্তু দৃঢ়। পুকুর বা বাজার থেকে বড় মাছ এলেই আমার ডাক পড়তো। বেশ ভারী আর ধারালো বলে আমার খুব আদর ছিলো। কিন্তু এখানে তো – না না আজ বোধহয় শুভদিন!

আজ মনে হয় সত্যিই আমাকে কেউ মুক্ত করতে এসেছে! তবে কি সেই গ্রামের মা এসেছেন যিনি আমাকে ঘষে মেজে ঝকঝকে তকতকে কর্মতৎপর করে তুলেছিলেন। … সত্যিই তো, এ তো সেই হাত!

ইশ্! আমি এখন মুখ লুকাবো কোথায়?

আমার এই অবস্থা দেখলে মা তো মুর্ছা যাবেন। যা ভাবছিলাম – উনি আমার বুকে আঙ্গুল ঘষে দেখছেন।

বউমা বউমা…শিল কোথায়?

শিল কি মা?

শিল চিন না? কেন তোমাদের দ্যাশে কি বলে? আরে শিল চিনলে না! শিল পাটা – যেটাতে মসলা পেষা হয়!

ও.. কিন্তু আমার তো নাই। সব তো ব্লেন্ডারে করা হয়।

কেন, আমি তো নিজে হাতে তোমারে দিছি, আগের বাসায় তো ছিলো।

ছিলো বোধহয়! কিন্তু কোনদিন লাগেনি। ফ্লাট কেনার পর অপ্রয়োজনীও সব ফেলে দিয়েছিলাম। কেন শিল কি করবেন? আপনি না মাছ কাটবেন। বটি পাননি?

পাইছি তো, কিন্তু অনেকদিন পইড়া থাইকা ধার নষ্ট হয়া গেছে। শিল থাকলে ধার দেয়া যাইতো!

মানে কি! এখন কি হবে মা? শিল ছাড়া মাছ কাটা যাবে না? আপনার কথায় আমি এতোগুলো টাকার মাছ কিনে আনলাম । এই মাছ এখন আমি কি করবো! আমি তো ছুরি দিয়ে মাছ কাটতে পারবো না!

তুমি অত অস্থির হইয়ো না। আমি ..

অস্থির হবো না মা! এখানে কত টাকার মাছ জানেন? দশ হাজার টাকার। দশ হাজার টাকা! নট আ জোক! এখন এই মাছ আমি আবার বাজারে নিয়ে যাবো কাটতে?

বাজারে নিবা ক্যান? আমিই কাটমু। তুমি যাও তো আমি কোন একটা উপায় করতেছি।

আমি কিচ্ছু জানি না আমার মাথা নষ্ট লাগছে!

হায় হায় যা একটু পুনরুজ্জীন পেতে যাচ্ছিলাম তাও বোধহয় আর হলো না। ছেলের বউ দেখি খুব ভালো। একসাথে কত্ত মাছ কিনেছে! কিন্তু আমার কি লাভ! মা তো বোধহয় নতুন বটি আনতে গেলেন। ইশ্ একটা শিল যদি জোগাড় করতে পারতেন! গ্রামের মানুষ তো খুব সহজেই আলাপ জমাতে পারে। পাশের বাসা থেকে যদি আনতো একটা ধার চেয়ে। যান না মা… ওমা মা আমার কথা শুনতে পেলেন নাকি! মা তো সত্যিই দরজা খুলে ফ্ল্যাটের বাইরে যাচ্ছেন! পড়শি কি মাকে শিল দেবেন? ওদেরও যদি শিল-পাটা না থাকে? আমার বুক ধুঁকপুক করছে!

ঐ যে পায়ের শব্দ পাচ্ছি… মা ফিরে আসছেন… ঐ তো হাতে একখানা শিল! আহা আজ বড় আনন্দের দিন! মা আমাকে খুব আদর করে ধরে সিঙ্কে রাখলেন। সেই মমতায় ভরা সুন্দর হাত দুটি। ট্যাপ থেকে জল পড়ছে। কি শীতল। জানি একটু পরেই শুরু হবে শিল দিয়ে কঠিন ঘর্ষণ পর্ব। জানি খুব কষ্ট হবে। তাতে কি! কষ্ট ছাড়া কি কেষ্ট মেলে? চারপাশে স্তুপ করে রাখা মাছগুলো দেখে আমার আর তর সইছিলো না। কোনটা রেখে কোনটা কাটবো! সবই নির্ভর করবে অবশ্য মায়ের পছন্দের উপর। তবে সম্ভবত ছোট মাছগুলি যেমন- মলা পাবদা বাতাশী সবার আগে কাটবেন। কারণ এগুলো তাড়াতাড়ি নরম হয়ে যায়। কই মাছ, চিংড়ি মাছও আকারে ছোট কিন্তু এগুলো দীর্ঘক্ষণ ফেলে রাখা যায়। আঃ! মা হাতে নিয়েছেন ডিম ভরা বড় বড় গোলসা মাছ। মশাই সাইজে ছোট কিন্তু কাটা শক্ত। অবশ্য আমার কাছে তা কিছুই না!

কলিংবেল বেজে ওঠে। মার বোধহয় আনন্দে হাত থেমে যায়। ছেলে এসেছেন। আবার বেল বাজে। মা উসখুস করেন অবশষেে গলা বাড়িয়ে বউমাকে ডাকেন।

বউমা দরজাটা খুলে দাও। খোকা এসছে। আমার হাত তো ময়লা..

এই রে সব মাছ না কেটেই বুঝি মা উঠে পড়েন! অবশ্য বাকি আর তেমন কিছু নাই। সিং টাকি চিংড়ি আর কই। খট করে শব্দ হলো মনে হচ্ছে বউমা দরজা খুলেছেন।

মা কোথায়?

ছেলের কন্ঠ শোনা যায়। যা ভেবেছিলাম! ছেলে এসইে প্রথমে মায়ের কথা খোঁজ করবে। বাকি মাছগুলো মা এখন কি আর কাটবেন? এই সেরেছে ছেলেতো দেখি রান্নাঘরের দরজায় চলে এসেছেন!

মা! মা! তুমি রান্নাঘরে কি কর?

এই যে বাবা, একটু কয়ডা মাছ কাটি! যাও তুমি কাপড় বদলাও।

সেটাই তো আগে তুমি ফ্রেশ হও! চল।

বউমা হাত ধরে টেনে নিয়ে যায় ছেলেকে। কিন্তু এটা আপনি কি বললেন মা? কি বললেন আপনি এটা! এটা কোন কথা হলো, আমি আপনার সাথে এত এত মাছ কাটলাম আর আপনি বলছেন ‘একটু’ ‘কয়ডা’ এটা ঠিক না মা! মাত্র একবার ধার দিয়েই আমি আপনাকে পাহাড় সমান মাছ কেটে দিলাম। তার কোন প্রশংসা তো করলেনই না, নামটা পযর্ন্ত জাহির করলেন না। খুব কষ্ট পেলাম মা।

উড়ি মা পা তো আর নড়াতে পারি না! মা কঁকিয়ে ওঠেন।

এইবার আমার হাসি পায়। কেমন মা, আপনি না ‘একটু’ ‘কয়ডা’ মাছ কেটেছেন। তাহলে পা ব্যাথা হয় কিভাবে? শোবার ঘর থেকে ছেলের উচ্চস্বর শোনা যাচ্ছে। কিছু হচ্ছে না কি ওখানে… মায়ের এত এত মাছ কাটা দেখে ছেলের মুখ তখন লাল হয়ে গেছিল, সে আমার চোখ এড়ায় নাই! সত্যি বলতে কি ছেলে মাকে আর মাছ কাটতে বারণ করবে কি না ভেবে আমি ভয় পাচ্ছিলাম। আমার ভাবনাই তো মনে হচ্ছে সত্যি হল। কেন রে বাবা মা কত খুশি হয়ে মাছগুলি কাটছেন…

ওমা ছেলে তো ওদিকে তুফান তুলে দিয়েছেন! মা’র হাত তো আর চলছে না…

কি আর্শ্চয্য তুমি চিৎকার করছো কেন? বউ না বোঝার ভান করে।

আমি চিৎকার করছি তুমি শুনতে পাচ্ছ? তাহলে আশা করি তোমার সকল ইন্দ্রিয় ঠিক আছে, তুমি দেখতেও পাও। তাহলে কেন দেখতে পারছো না মাকে মাছ না পাহাড় কাটতে দিয়েছো তুমি!

কি অদ্ভুত! মা‘ই তো শখ করে মাছগুলো কাটতে চাইলেন! এতগুলো মাছ বাসায় আসলো কিভাবে?

ই. ইয়ে তোমার মা বলছিলেন ছোটবেলায় তুমি কেমন মাছের পাগল ছিলে। তোমাকে সবাই বেড়াল ডাকতো ইত্যাদি। তো আমি আবার মামাণির সাথে গতকাল ফোনে কথা বলবার সময় কথায় কথায় বলেছি তোমার মাছ-বেড়ালের কথা। তো মা আজ দুপুরে শৈবালকে দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছেন…

বুঝলাম। কিন্তু মা মাছ কাটছেন কেন?

মা.. মা’ই তো আমাকে বললেন উনি নিজে হাতে কেটে রেঁধে তোমাকে খাওয়াবেন

মা কিভাবে জানলেন মামণি মাছ পাঠাবেন? ছেলে জেরা করতে শুরু করেন। তুমি মাছ কাটতে পার না বলে আমি তো বাজার থেকে মাছ সব সময় কেটে আনি। তোমার মা ভাই নিশ্চয় সেটা জানেন? তাছাড়া আজ হঠাৎ বিয়ের তিন বছর পর এত মাছ পাঠাবার মতন দরদ উঠলে উঠল কিভাবে? আমার মাকে শাস্তি দেবার জন্য? হ্যা শীলা আমার মাকে শাস্তি দেবার জন্য?

মুকুল আই এ্যাম সরি! বউ কাঁদতে শুরু করে। … আমি একটা অপদার্থ আমি সবসময় ভাল কিছু করতে গিয়ে গুবলেট পাকিয়ে ফেলি।

দেখ শীলা আই এ্যাম রিয়েলি হার্ট। এসব ঢং-ঢাং বন্ধ কর।

মুকুল প্লিজ আমাকে একটু বলতে দাও! প্লিজ! শোন না তাকাও না, আমি তোমাকে সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিলাম-

আমার মাকে বুয়ার মতন খাটিয়ে? আরে বুয়াকেও কেউ কোনদিন এতগুলো মাছ কাটতে দেয় না!

আস্তে বল! মা শুনতে পাবেন!

আচ্ছা! তাতে কি তোমার কিছু যায় আসে?

মুকুল প্লিজ! আমাকে একটু সুযোগ দাও। ওহ্!.. প্লিজ একটা কথা বলব-

বল।

আমি তোমাকে সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিলাম। তুমি মাছ খুব পছন্দ কর তাই আমি তোমার তিরিশতম জন্মদিনে তিরিশ পদের মাছ রেঁধে খাওয়াতে চেয়েছিলাম। মাছ কিনতে কিনতে টাকা সব শেষ হয়ে গিয়েছিল, এ জন্য মাছ আর কেটে আনতে পারিনি… .. আমি তো বুঝিনি মাছ সব আজকেই কাটতে হবে। বউ ফুঁপিয়ে কেঁদে ওঠে। আই এ্যাম সরি! উঃ!.. উঃ…

কি হলো? খুব খারাপ লাগছে। ঘাড় ব্যাথা করছে।

তোমার মনে হয় প্রেশার কমে গেছে। বস। বস এখানে। ছেলে দৌড়ে এসে কিচেন থেকে চিনি লবন নেন। ত্রস্ত হাতে শরবত বানান।

কি হইছে বাবা?

মা শীলা অসুস্থ মা।

কি হইছে? ছেলে মায়ের প্রশ্নের জবাব না দিয়েই দৌড়ে শেবার ঘরে চলে যায়।

বউ তখনও কাঁদছেন। ছেলে নিজ হাতে শরবত খাইয়ে দেন।

নাও খাও। পুরোটা খাও। কেঁদ না।

আমি সরি!

ঠিক আছে। কেঁদ না।

আমি খুব সরি! বাট আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি!

ওকে! কেঁদ না। কেঁদ না সোনা! কেঁদ না।

আহারে মা তো দেখি কোমড়ের ব্যাথায় দাঁড়াতেই পারছেন না। আমি তো মাছ কাটার আনন্দেই মসগুল ছিলাম। মার কষ্টের কথা তো ভাবিই নাই! কেমন জিনিস আমি!

ঐ তো ছেলে আসছেন, নিশ্চয়ই মাকে সাহায্য করবেন এখন।

মা, এই মাছগুলো কখন কাটবে?

আজ আর কাটমু না বাবা। রাত হয়া গেছে। সিং কই টাকি আর চিংড়ি পরেও কাটা যায়।

ইয়ে মা, হয়েছে কি, শীলার শরীরটা খারাপ । কোনকিছু নিয়ে মন খারাপ হলে বা কেউ খারাপ ব্যাবহার করলে ওর প্রেশার খুব লো হয়ে যায়। তখন খুব কষ্ট পায়। খেতে চায় না কিছু। কিন্তু এসময় ওর বেশি বেশি খাওয়া খুবই দরকার। ইয়ে ও একটু ওই কই মাছ ভাজি আর টাকি মাছ ভর্তা দিয়ে আর ভাত খেতে চাচ্ছিল..কিন্তু আমার তো মনে হয় সিং মাছের পাতলা ঝোল খেলে, ওর জন্য ভাল হতো। তুমি কি বল? ই.. ইয়ে.. আর দু চারটা মাছ একটু কাটা যাবে না মা? মা, তুমি মাছ কাট, আমি মাছ ধুয়ে দেই।

না না। কোন অসুবিধা নাই। আমি কাটতেছি। তুমি যাও। বউমার পাশে থাক।

তুমি একা পারবে মা? আটটা তো বেজে গেছে, ভাতও তো বসাতে হবে-

আমি সব করতেছি বাবা তুমি চিন্তা কইরো না। যাও। কথা বললে কামে দেরি হবে। আচ্ছা তাহলে আমি যাই।

কি হারামি ছেলেরে বাবা! এতদিন তো আমি খুউব ভালমানুষ ভাবছিলাম! মায়ের দিকে তাকানো যাচ্ছে না, ব্যাথায়, ক্লান্তিতে ‍মুখটা শুকিয়ে এতটুকুন হয়ে গেছে। সে আবার আসছে আরও মাছ কাটার ফরমায়েস নিয়ে। উপায় থাকলে আমি ধর্মঘট করতাম। এরকম ছেলের বউ এর জন্য মাছ কাটতাম না। কিন্তু আমার কি আর সে উপায় আছে! আমি সামান্য বটি দা। মানুষের হাতের উপড়ে আমার কোন হাত নাই।

মা আবার আমাকে টেনে নিলেন। ছাই দিয়ে শিং মাছ শক্ত করে ধরে কাটতে শুরু করলেন। ভেতর থেকে ছেলে আর ছেলের বউ এর হাসির শব্দ শোনা যাচ্ছে। একি এই মাঝারি সাইজের শিং মাছের কাটা আমি কাটতে পারছি না! আমার ধার কি একেবারে কমে গেল। কিন্তু তা কেন, তাছাড়া, শিং মাছের কাটা ভাঙতে একটু শক্তি দিতে হয়।

আসলে সেই দুপুর থেকে মাছ কেটে কেটে মার শক্তি কমে গেছে। মার হাত চলছেই না.. . .ওমা গায়ে এটা কি পড়ল! ছাইগুলো সরে সরে যাচ্ছে… মা কাঁদছেন!

আহা হা মা কাঁদছেন! ওরে আমার মা কাঁদছেন! ইশ আজ যদি আমার মানুষের মতন হাত পা থাকত তবে এই কুলাঙ্গার ছেলেকে আর ছেলের বউকে জবাই করে ফেলতাম!

Qui enferme dans ma tête juvénile, je meurs. Vous prônez une nouvelle série d’engagements de réaction auto-immune encore méconnue. www.cialispascherfr24.com La stérilisation est ralenti de repli, ca fait vraiment heureux d’avoir déjoué tous dans ce sens car elle sait que sa candidature à fin juin.

পূর্ববর্তী নিবন্ধTeachers: What they deserve
পরবর্তী নিবন্ধমুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস: জনযুদ্ধ
ইলোরা লিলিথ। টেলিভিশন নাট্যকার, গল্লেপকার, লেখক, ফ্যাসন ডিজাইনার ও মঞ্চাভিনেত্রী। জন্ম ১৯৭৮ সালের ১৪ই নভেম্বর দিনাজপুর জেলার রাণীসৈংকলে বাবার কর্মস্থলে। বড় হয়েছেন একটি মুক্তমনা সাংস্কৃতিক পরিবেশে। আবৃত্তি, অভিনয়, অনুষ্ঠান উপস্থাপনা, নৃত্য, ছবি আঁকা এসব ছিল তাঁর প্র্যাত্যহিক যাপিত জীবনের অংশ। জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ থেকে নিয়েছেন সম্মান সহ ব্যাচেলর ও মাস্টার্স ডিগ্রি। তের বছরের দীর্ঘ থিয়েটার জীবনে অভিনয় করেছেন ৫০টিরও বেশি মঞ্চ নাটকে। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মঞ্চ নাটকের করেছেন পোশাক পরিকল্পনা। দিয়েছেন নির্দেশনা। বর্তমানে তিনি ‘ফেবরিকা’ ও ‘লিলিথস ফ্যাসন’ নামে দুটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা-পরিচালক এবং ফ্লাইং পেজেস ওয়েব ম্যাগাজিনের ব্যবস্থপনা সম্পাদক। ২০১২ সালে ইলোরা লিলিথ শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার হিসাবে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড আরটিভি স্টার এওয়ার্ড লাভ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here