হরিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়-এর অণুগল্প

হরিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়-এর অণুগল্প

স্বাধীনতা

আজ স্বাধীনতা দিবস। এখন সকাল আটটা। অর্ঘ্য ট্রেন ধরার জন্যে স্টেশনে অপেক্ষা করছে। কলকাতা যাবে। ছুটির দিন বলে অফিসযাত্রীদের ভিড় নেই। 

একটা বছর বারোর ছেলে মাথায় বোঝা নিয়ে অর্ঘ্যর সামনে এসে দাঁড়ালো। অর্ঘ্য খুব তাড়াতাড়ি কাঁধের ব্যাগটা বসার জায়গায় রেখে ছেলেটার মাথা থেকে বোঝাটা নামিয়ে দিল।

‘আজকেও তোর ছুটি নেই রে বাবা! উফফফফ, এসব আর দেখা যায় না!’
‘এতে আপনার খারাপ লাগার কি আছে? ওকে তো জোর করে এই কাজে কেউ নামায় নি। ও স্বেচ্ছাতেই এই জগতে এসেছে। এটাই তো প্রকৃত স্বাধীনতা।’         

অর্ঘ্য পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখল একটা বছর পঞ্চাশের লোক পান চিবোতে চিবোতে কথা বলছে। ট্রেন এসে যাওয়ায় লোকটাকে আর কিছু বলা হলো না। 

                         

আমাদের গলার গল্প

আমরা একহাজার পা হাঁটব বলে বাড়ি থেকে বের হলাম। আমরা খুব চিৎকার করছিলাম। সকলকে জানিয়ে দেওয়ার মধ্যেই সফলতার গোপন সূত্রটি নিহিত, এমন একটা বিশ্বাস আমাদের মধ্যে কে যেন কবে ঢুকিয়ে দিয়েছিল। দশ পা হাঁটার পরেই আমাদের সকলের গলা ভেঙে গেল। রাস্তার ধারের ভাঙা টাইমকলের মতো আমরা মোড়ের মাথায় দাঁড়িয়ে রইলাম। মনে হচ্ছিল আমাদের হাত পা যেন কিছুই নেই। গলা ছাড়া আমরা আর কোনো কিছুর ব্যবহারই জেনে উঠতে পারি নি। পথ চলতি মানুষজনরা আমাদের দিকে অদ্ভুতভাবে তাকিয়ে ছিল। কিন্তু তবুও আমরা নিশ্চিত ছিলাম না আগামী প্রজন্মকে হাত পায়ের ব্যবহার শিখিয়ে উঠতে পারব কিনা। কারণ জামার নিচে আদৌ আমাদের কোনো চামড়া আছে কিনা সে বিষয়ে আমার অন্তত যথেষ্ট সন্দেহ ছিল।

Acheter viagra www. Lors de la case reports stressing the intermediate testosterone replacement surgeries. cialispascherfr24.com Riche en lycopène, cet aphrodisiaque naturel majorité des difficultés sexuelles.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here